অনুসরন করুন


Blogger widgets
IconIcon Icon

vvvv

ঘুরে আসুন জৈন্তাপুর।

 জৈন্তাপুর সিলেটের একটি প্রাচীন জনপদ এখানে রয়েছে জৈন্তা রাজবাড়ি, খাসিয়াপাড়া আর সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্র ছাড়া লালাখাল আর জাফলং জৈন্তাপুর থেকে একেবারে কাছে পাশেই রয়েছে জৈন্তা হিল রিসোর্ট এর আশপাশের নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের সঙ্গে এখানকার ঝরনা আপনাকে গ্ধ করবে খুব কাছে দাঁড়িয়ে দেখা যায় মেঘালয়ের উঁচু উঁচু সব পাহাড় আশপাশ বিভিন্ন প্রজাতির গাছগাছালিতে ভরা জাম্বুরা আর কমলা গাছ প্রচুর তা ছাড়া এখানে আকাশছোঁয়া পালান গাছ আছে
এখানকার বাড়িগুলো খুব সুন্দর প্রতিটি বাড়িতে সুপারি, স্থলপদ্ম আর জবা গাছের দেখা মিলবেই সুপারি গাছে সবাই পানের চাষ করে থাকে প্রতিটি বাড়ির সামনের অংশ পাথর দিয়ে বাঁধাই করা

ইতিহাসখ্যাত 'ভাওয়াল পরগণা'।

গাজীপুর জেলা শহর থেকে মাত্র এক কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে এগোলেই চিলাই নদীবর্তমানে মৃতপ্রায় এই নদীটির নাম অনেকেরই অজানাঅথচ নদীটিকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে এক সময়ের ইতিহাসখ্যাত 'ভাওয়াল পরগণা'
সে পরগণাটিই এখন গাজীপুর জেলা

রাণী ভবানী রাজবাড়ী

নাটোর জেলা শহরের বঙ্গজ্জল এলাকায় রয়েছে রানী ভবানী রাজপ্রাসাদ তোরণ পেরিয়ে ভেতরে ঢুকলে চোখে পড়বে রাজবাড়ির কামান রাজবাড়িটির ভেতরে রয়েছে ৬টি দিঘি আর পুরো রাজবাড়িটি বাইরের দিক থেকে লেক আকৃতির দিঘি দিয়ে ঘেরা ভেতরে রয়েছে বড় তরফ ভবন নামে পরিচিত রানী ভবানীর রাজপ্রাসাদ সপ্তদশ শতাব্দিতে নির্মিত সুরম্য ভবনটি আজও সবার দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম জানা যায়, রাজা রামজীবন ১৭০৬-১৭১০ সালের কোনো এক সময় পুঠিয়ার রাজার নিকট থেকে প্রায় ১৮০ বিঘার একটি বিল দান হিসেবে গ্রহণ করে সেখানে এই রাজপ্রাসাদ গড়ে তোলেন

নীলফামারীর ঐতিহাসিক চিনি মসজিদ স্থাপত্য শিল্পের অনন্য নিদর্শন।


ইতিহাস থেকে জানা যায়উপমহাদেশে সুফী সাধকদের প্রেরণাতেই এক সময়ে মুসলিম শাসন  মোগল আমল বহু মসজিদ গড়ে উঠে

পূরান প্রবাদের মন্দির বদেশ্বরী।

বদেশ্বরী মন্দিরটি পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের দেঃভিঃ বদেশ্বরী মৌজার প্রায় ২.৭৮ একর জমিতে (মন্দির  পার্শ্ববর্তী অংশসহ) অবস্থিত 

ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটি ষাটগম্বুজ মসজিদ।

 ষাটগম্বুজ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদমসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেইতাই এটি কে নির্মাণ করেছিলেন বা কোন সময়ে নির্মাণ করা হয়েছিল, সে সম্পর্কে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায় নাতবে মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখলে এটি যে খান--জাহান নির্মাণ করেছিলেন, সে সম্পর্কে কোনো সন্দেহ থাকে নাধারণা করা হয়, তিনি ১৫০০ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন

কুমিল্লার শালবন বৌদ্ধ বিহার।

শালবন বৌদ্ধ বিহার বাংলাদেশের প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনগুলোর মধ্যে অন্যতমকুমিল্লা জেলার লালমাই-ময়নামতি প্রত্নস্থলের অসংখ্য প্রাচীন স্থাপনাগুলোর একটি এই বৌদ্ধ বিহারএটি ১২শ প্রত্নতাত্বিক এলাকা হিসেবে চিহ্নিত
কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধানকোটবাড়িতে বার্ডেরকাছে লালমাই পাহাড়ের মাঝামাঝি এলাকায় বিহারটির অবস্থানবিহারটির আশপাশে এক সময় শাল-গজারির ঘন বন ছিল বলে বিহারটির নামকরণ হয়েছিল শালবন বিহারএর সন্নিহিত গ্রামটির নাম শালবনপুরএখনো ছোট একটি বন আছে সেখানে বিহারটি পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের মতো হলেও আকারে ছোট

রবীন্দ্র স্মৃতি বিজড়িত শিলাইদহের কুঠিবাড়ী।


কুষ্টিয়া শহর থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি বিজড়িত সবুজ-শ্যামল ছায়া সুশীতল একটি গ্রাম ঠাকুর পরিবারের বাড়িটি সবার কাছে শিলাইদহের কুঠিবাড়ী নামেই পরিচিত রবীন্দ্রনাথ শিলাইদহে এসেছিলেন প্রথমে জমিদারি দেখাশোনা করার কাজে জমিদ রবীন্দ্রনাথ মিশে গিয়েছিলেন শিলাইদহের প্রতিটি মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গে শুধু জমিদারিই নয়, এই শিলাইদহ ছিল রবিঠাকুরের সাহিত্যসৃষ্টির এক অপূর্ব প্রেরণা এখানে তিনি রচনা করেন মানসী, সোনার তরী, চিত্রা, বলাকা, ক্ষণিকা, নৈবদ্য প্রভৃতি
 
সম্পাদক: টিটু ইফতেখার
কপিরাইট © 2011. বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক নিদর্শন - সর্বসত্ব সংরক্ষিত
টেমপ্লেট সম্পাদনা - আলভী ডিজাইন